দুই নেতার শীতল যুদ্ধে বিএনপিতে বিভক্তি !
দলে প্রভাব বিস্তার, সিদ্ধান্ত গ্রহণে দ্বিমুখিতা, প্রাত্যহিক কার্যক্রমে সমন্বয়হীনতাসহ সাংগঠনিক দ্বন্দ্বে বিএনপিতে বিভক্তি সৃষ্টি হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নেতারা পরস্পরের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছেন শীতল যুদ্ধে। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নির্দেশ পাশ কাটিয়ে বিশেষ ক্ষমতাবলে সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ নিজের মতো করে দলের কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছেন— এমন অভিযোগও বেশ স্পষ্ট।
সূত্র জানায়, গত ২৭ জুন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে মহাসচিবসহ সিনিয়র নেতাদের নিয়ে নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করেন রিজভী আহমেদ। তিনি জানান, করোনা মহামারিকালেও নেতারা মাঠে নেই। দলের কোনো কাজে তারা মাঠে নামতে চান না। তিনি একাই ত্রাণ বিতরণ, নিয়ম করে দলের প্রতিক্রিয়া জনগণের সামনে তুলে ধরেন। সাংগঠনিভাবে দলকে চাঙ্গা করতে কাজ করে যাচ্ছেন। অথচ এসব কার্যক্রমের সমালোচনা করছেন নেতারা।
‘এমনকি কোনো কোনো নেতা সরকারের সঙ্গে লবিং করে নিজেদের ব্যবসা-বাণিজ্য টিকিয়ে রেখে রাজার হালে চলছেন’— অভিযোগ রিজভীর।
জানা গেছে, দলের দুই শীর্ষ নেতার দ্বন্দ্ব বেশ পুরোনো হলেও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর ফের নতুন করে প্রকাশ্যে আসতে শুরু করে। দলে জোর গুঞ্জন রয়েছে, মির্জা ফখরুল কাগজে-কলমে মহাসচিব হলেও দলের সব কার্যক্রম পরিচালনা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে একচ্ছত্র প্রভাব খাটাচ্ছেন রিজভী আহমেদ। সারাদেশের বিএনপির রাজনীতিকে এক হাতে নিয়ন্ত্রণ করছেন তিনি। তার ইশারা ছাড়া কোথাও কোনো কমিটির অনুমোদন হয় না। দলের মহাসচিব হওয়ার প্রবল ইচ্ছা থেকেই বর্তমান মহাসচিবকে নিষ্ক্রিয় প্রমাণ করতে অনেক কাজ তিনি নিজ দায়িত্বেও করেন।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মূলত খালেদা জিয়ার পরামর্শে কাজ করেন। অন্যদিকে ধীর বুদ্ধিসম্পন্ন নেতা হওয়ায় ফখরুলও বিষয়গুলো চেপে যান। তবে মাঝে মাঝে এ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয় তাকে।
সূত্র জানায়, গত ২৭ জুন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে মহাসচিবসহ সিনিয়র নেতাদের নিয়ে নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করেন রিজভী আহমেদ। তিনি জানান, করোনা মহামারিকালেও নেতারা মাঠে নেই। দলের কোনো কাজে তারা মাঠে নামতে চান না। তিনি একাই ত্রাণ বিতরণ, নিয়ম করে দলের প্রতিক্রিয়া জনগণের সামনে তুলে ধরেন। সাংগঠনিভাবে দলকে চাঙ্গা করতে কাজ করে যাচ্ছেন। অথচ এসব কার্যক্রমের সমালোচনা করছেন নেতারা।
‘এমনকি কোনো কোনো নেতা সরকারের সঙ্গে লবিং করে নিজেদের ব্যবসা-বাণিজ্য টিকিয়ে রেখে রাজার হালে চলছেন’— অভিযোগ রিজভীর।
জানা গেছে, দলের দুই শীর্ষ নেতার দ্বন্দ্ব বেশ পুরোনো হলেও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর ফের নতুন করে প্রকাশ্যে আসতে শুরু করে। দলে জোর গুঞ্জন রয়েছে, মির্জা ফখরুল কাগজে-কলমে মহাসচিব হলেও দলের সব কার্যক্রম পরিচালনা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে একচ্ছত্র প্রভাব খাটাচ্ছেন রিজভী আহমেদ। সারাদেশের বিএনপির রাজনীতিকে এক হাতে নিয়ন্ত্রণ করছেন তিনি। তার ইশারা ছাড়া কোথাও কোনো কমিটির অনুমোদন হয় না। দলের মহাসচিব হওয়ার প্রবল ইচ্ছা থেকেই বর্তমান মহাসচিবকে নিষ্ক্রিয় প্রমাণ করতে অনেক কাজ তিনি নিজ দায়িত্বেও করেন।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মূলত খালেদা জিয়ার পরামর্শে কাজ করেন। অন্যদিকে ধীর বুদ্ধিসম্পন্ন নেতা হওয়ায় ফখরুলও বিষয়গুলো চেপে যান। তবে মাঝে মাঝে এ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয় তাকে।



Comments
Post a Comment